প্রতিটি ম্যাচে সঠিক সময়ে সঠিক অডসে বেট করুন। pjoko-তে পাচ্ছেন প্রি-ম্যাচ থেকে লাইভ পর্যন্ত সব ধরনের অডস, একটি জায়গায়।
নিচের অডসগুলো নমুনা। pjoko-তে লগইন করলে রিয়েলটাইম আপডেট পাবেন।
উপরের অডস নমুনা মাত্র। লগইন করলে রিয়েলটাইম অডস ও সব মার্কেট দেখতে পাবেন।
অডস বোঝা মানে বেটিংয়ে এগিয়ে থাকা। pjoko-তে অডস নিয়ে সব জানুন।
pjoko-তে ডিফল্ট ফরম্যাট ডেসিমাল। অডস × বেটের পরিমাণ = মোট ফেরত। যেমন ২.০০ অডসে ৳১০০ বেট করলে ফেরত ৳২০০।
অডস মূলত জেতার সম্ভাবনার প্রতিফলন। ১ ÷ অডস = নিহিত সম্ভাবনা। pjoko-র মার্জিন কম, তাই আপনি বেশি ফেরত পান।
ম্যাচ চলাকালে অডস প্রতি মুহূর্তে বদলায়। গোল হলে, উইকেট পড়লে বা কার্ড দেখালে অডস তাৎক্ষণিক আপডেট হয়।
অ্যাকিউমুলেটরে প্রতিটি লেগের অডস গুণ হয়। তিনটি ২.০০ অডস মিলিয়ে অ্যাকিউ করলে মোট অডস ৮.০০ হয়।
একই ম্যাচে pjoko কতটা ভালো অডস দেয়, দেখুন এক নজরে
| ম্যাচ | মার্কেট | গড় বাজার | pjoko অডস |
|---|---|---|---|
| বাংলাদেশ vs ভারত | বাংলাদেশ উইনার | ১.৯৫ | ২.১৫ সেরা |
| ম্যান সিটি vs আর্সেনাল | ম্যান সিটি উইনার | ১.৭০ | ১.৮০ সেরা |
| অস্ট্রেলিয়া vs ইংল্যান্ড | Over 6.5 উইকেট | ১.৮৮ | ১.৯৮ সেরা |
| লিভারপুল vs চেলসি | উভয় দল গোল করবে | ১.৭৫ | ১.৮৫ সেরা |
| জোকোভিচ vs আলকারাজ | আলকারাজ উইনার | ১.৫৮ | ১.৬৫ সেরা |
| IPL: মুম্বাই vs চেন্নাই | মুম্বাই উইনার | ১.৯২ | ২.০৫ সেরা |
তুলনা নমুনা ডেটার উপর ভিত্তি করে। প্রকৃত অডস ম্যাচের সময় পরিবর্তিত হতে পারে।
pjoko-র অডস থেকে প্রতিটি দলের জেতার সম্ভাবনা কত, তা এখানে দেখানো হয়েছে
অভিজ্ঞ বেটাররা যেভাবে অডস বিশ্লেষণ করেন
যেখানে আপনার মনে হয় অডস বাস্তব সম্ভাবনার চেয়ে বেশি, সেটাই ভ্যালু বেট। pjoko-র বুস্টেড অডসে এই সুযোগ বেশি।
অডস হঠাৎ বড় পরিবর্তন হলে বাজারে কিছু একটা হচ্ছে। দলের ইনজুরি, আবহাওয়া বা পিচ রিপোর্ট চেক করুন।
একই ম্যাচে ম্যাচ উইনার, হ্যান্ডিক্যাপ এবং টোটাল মার্কেট তুলনা করলে অনেক সময় ভালো সুযোগ পাওয়া যায়।
অডস যতই ভালো হোক, এক বেটে বেশি লাগাবেন না। মোট ব্যালেন্সের ২–৫% এর মধ্যে রাখুন প্রতিটি বেট।
লাইভ অডস দ্রুত পালটায়। pjoko-তে কনফার্ম বাটন চাপার আগে একবার চেক করুন অডস ঠিক আছে কিনা।
প্রতিটি বেটের তথ্য লিখে রাখুন। কোন ধরনের মার্কেটে আপনি বেশি সফল সেটা বুঝলে দীর্ঘমেয়াদে লাভবান হবেন।
বেটিং করতে গেলে প্রথমেই যেটা বুঝতে হয় সেটা হলো অডস। অডস শুধু একটা সংখ্যা নয়, এটা আসলে বুকমেকারের দৃষ্টিতে একটি ফলাফলের সম্ভাবনার প্রতিফলন। যে বেটার অডস ভালোভাবে বোঝেন, তিনি দীর্ঘমেয়াদে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকেন। pjoko বাংলাদেশি বেটারদের কথা মাথায় রেখে অডসের পুরো বিষয়টা সহজ ও স্বচ্ছ রাখে।
অনেকে মনে করেন কম অডসে বেট করা মানে বেশি নিরাপদ। কিন্তু আসল কথা হলো, কম অডস মানে সেই ফলাফলের সম্ভাবনা বাজারের চোখে বেশি – মানে আপনি কম রিটার্ন পাবেন। আবার বেশি অডস মানে বেশি ঝুঁকি, কিন্তু সঠিক বিশ্লেষণ থাকলে সেটাই সবচেয়ে লাভজনক। pjoko-তে উভয় ধরনের মার্কেটই পাওয়া যায় এবং আপনি নিজের পছন্দ ও কৌশল অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন।
প্রি-ম্যাচ অডস নির্ধারিত হয় ম্যাচ শুরুর আগে, দলের ফর্ম, মাঠের পরিস্থিতি, পরিসংখ্যান ইত্যাদি বিবেচনা করে। এই সময়ে অডস তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে এবং আপনার কাছে বিশ্লেষণের জন্য যথেষ্ট সময় থাকে। কিন্তু ম্যাচ শুরু হলে পরিস্থিতি বদলে যায়। লাইভ অডস প্রতি মুহূর্তে বদলায় – ক্রিকেটে প্রতিটি বল, ফুটবলে প্রতিটি সুযোগ অডসকে প্রভাবিত করে।
pjoko-র লাইভ বেটিং ইঞ্জিন এই পরিবর্তনগুলো রিয়েলটাইমে ধরে রাখে। অনেক বেটার প্রি-ম্যাচে ফেভারিট দলের বিপক্ষে হাই অডসে বেট রেখে অপেক্ষা করেন, এবং লাইভে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে হেজ বেট দেন। এই কৌশলটা অভিজ্ঞদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।
ক্রিকেট বেটিং একটু আলাদা কারণ এখানে শুধু জয়-পরাজয় নয়, আরো অনেক ধরনের মার্কেট থাকে। টপ ব্যাটসম্যান, টপ বোলার, প্রথম উইকেটের ধরন, নির্দিষ্ট ওভারে রানের সংখ্যা – এই প্রতিটি মার্কেটে আলাদা অডস থাকে। pjoko-তে বাংলাদেশ ম্যাচে ১০০টিরও বেশি মার্কেট পাওয়া যায়। এই বৈচিত্র্য বেটারদের নিজের বিশেষজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ দেয়।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কেউ যদি জানেন যে একটি নির্দিষ্ট উইকেটে স্পিন বোলিং কার্যকর হয়, তাহলে তিনি "সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি স্পিনার হবেন" এই মার্কেটে ভালো অডস পেতে পারেন। সাধারণ ম্যাচ উইনার মার্কেটের চেয়ে এই বিশেষায়িত মার্কেটগুলোতে প্রায়ই ভালো ভ্যালু পাওয়া যায়।
ক্রিকেটের মতো ফুটবলে তৃতীয় একটি ফলাফল আছে – ড্র। এই কারণে ফুটবলের অডস স্ট্রাকচার আলাদা। দুটি শক্তিশালী দলের মধ্যে ম্যাচে প্রায়ই তিনটি ফলাফলের অডসই কাছাকাছি থাকে। pjoko-তে এশিয়ান হ্যান্ডিক্যাপ মার্কেটও পাওয়া যায়, যেখানে ড্র ফলাফল থাকে না এবং ছোট-বড় দলের মধ্যেও আরো সমান প্রতিযোগিতামূলক অডস মেলে।
প্রিমিয়ার লিগের বড় ম্যাচগুলোতে pjoko সাধারণত অ্যাকিউ বুস্ট অফার করে। তিন বা তার বেশি লেগের অ্যাকিউমুলেটরে ৫% থেকে ২০% পর্যন্ত বোনাস অডস যোগ হয়। পরিকল্পিত অ্যাকিউ বেটে এই বুস্ট বেশ কাজে আসে।
বাংলাদেশে অনলাইন পেমেন্টের সুবিধা-অসুবিধা দুটোই আছে। pjoko বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল সাপোর্ট করে, তাই বাংলাদেশি বেটারদের জন্য পুরো প্রক্রিয়াটা খুব সহজ। ম্যাচ জেতার পর টাকা তুলতে আলাদা ঝামেলা নেই – সাধারণত ১৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে টাকা পৌঁছে যায়।
এছাড়া pjoko-র কাস্টমার সাপোর্ট বাংলায় কথা বলে। অডস বুঝতে না পারলে, বেট স্লিপে সমস্যা হলে বা পেমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে সরাসরি বাংলায় সহায়তা পাওয়া যায়। বিদেশি প্ল্যাটফর্মে এই সুবিধা পাওয়া কঠিন।
অভিজ্ঞ বেটাররা অনেক সময় ম্যাচের ৪৮-৭২ ঘণ্টা আগে থেকে অডস ট্র্যাক করেন। প্রথম দিকে যে অডস থাকে, ম্যাচের আগের রাতে সেটা কতটা বদলেছে সেই পরিবর্তনটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। হঠাৎ একটি দলের অডস কমে গেলে বুঝতে হবে বাজারে বড় বেট পড়ছে – এর পেছনে কারণ খোঁজা দরকার। pjoko-তে অডস হিস্ট্রি ফিচার থাকায় এই ট্র্যাকিং করা সহজ।
শেষ কথা হলো, অডস শুধু পড়তে পারলেই চলবে না, বুঝতে হবে। প্রতিটি বেটের আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন – এই অডসে কি আসল ভ্যালু আছে? pjoko-র বিস্তারিত পরিসংখ্যান ও মার্কেট তথ্য ব্যবহার করে সেই সিদ্ধান্তটা আরো তথ্যভিত্তিক করুন।
বাজারের গড়ের চেয়ে ৫–১০% বেশি অডস, লাইভ বুস্ট এবং অ্যাকিউ বোনাস নিয়মিত পাওয়া যায়।
প্রতি কয়েক সেকেন্ডে অডস রিফ্রেশ হয়। লাইভ বেটিংয়ে কোনো বড় ল্যাগ নেই।
pjoko-তে মার্জিন পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়। লুকানো চার্জ বা অপ্রত্যাশিত অডস পরিবর্তন নেই।
স্মার্টফোনে সম্পূর্ণ অডস বোর্ড দেখা যায়। আলাদা অ্যাপ ছাড়াই ব্রাউজারে সব কাজ।
বিকাশ, নগদ ও রকেটে ১৫ মিনিটের মধ্যে উইথড্রয়াল। বাংলাদেশ থেকে সহজতম অপশন।
ম্যাচ অডস নিয়ে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নের উত্তর